ইরানের সঙ্গে যদি যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয় তাহলে প্রথমে ইসরায়েলকে দিয়ে ইরানে হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। এরপর ইরান যখন জবাব দেবে, তখন ইসরায়েলকে সহযোগিতার নামে এতে যোগ দেবে যুক্তরাষ্ট্র।
সংবাদমাধ্যম পলিটিকোকে এমন তথ্য জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) তৃতীয় দফায় আলোচনায় বসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা। সংবাদমাধ্যম এক্সিওস জানিয়েছে, আজকের আলোচনাটিকে শেষ কূটনৈতিক সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পলিটিকো বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টারা গোপনে হয়ত তাকে বলবেন ইসরায়েলকে দিয়ে যেন হামলা চালানো হয়। এরপর ইরান যখন এর জবাব দিতে পাল্টা হামলা চালাবে, তখন মিত্র ইসরায়েলকে সহায়তার অজুহাতে যুক্তরাষ্ট্রও হামলা শুরু করবে।
কারণ এ মুহূর্তে ইরানে হামলা চালানোর মতো কোনো অজুহাত যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নেই। তারা চায় না নিজেদের হামলাকারী হিসেবে উপস্থাপন করতে। সূত্র: পলিটিকো
সংবাদমাধ্যম পলিটিকোকে এমন তথ্য জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) তৃতীয় দফায় আলোচনায় বসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা। সংবাদমাধ্যম এক্সিওস জানিয়েছে, আজকের আলোচনাটিকে শেষ কূটনৈতিক সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পলিটিকো বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টারা গোপনে হয়ত তাকে বলবেন ইসরায়েলকে দিয়ে যেন হামলা চালানো হয়। এরপর ইরান যখন এর জবাব দিতে পাল্টা হামলা চালাবে, তখন মিত্র ইসরায়েলকে সহায়তার অজুহাতে যুক্তরাষ্ট্রও হামলা শুরু করবে।
কারণ এ মুহূর্তে ইরানে হামলা চালানোর মতো কোনো অজুহাত যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নেই। তারা চায় না নিজেদের হামলাকারী হিসেবে উপস্থাপন করতে। সূত্র: পলিটিকো
আন্তজার্তিক ডেস্ক